উন্নত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ শেরপুর সদর: হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলামের ভিশন
ভিশন বার্তা: " সবার জন্য শিক্ষা, কর্মসংস্থান, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নত, নিরাপদ, পরিবেশ ও জনবান্ধব, মানবিক এবং আত্মনির্ভর শেরপুর সদর গড়ে তোলা।"
হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ মনে করেন স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সেই অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের একটি নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। সে লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন শেরপুর সদরের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে, একটি নতুন দিনের স্বপ্ন দেখাতে। তিনি শেরপুর সদরকে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন এবং গতিশীল মডেল নগরে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন। নানা ঐতিহ্যের এই এলাকাকে একটি টেক, ইন্ড্রাস্ট্রি ও বিজনেস ফোকাসড জেলা সদরে রূপান্তরিত করা তাঁর স্বপ্ন। একইসঙ্গে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ শেরপুর সদর গড়তে চান যেখানে সবার জন্য শিক্ষা, কর্মসংস্থান, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত। সে লক্ষে আমাদের প্রাণের শেরপুর সদর নিয়ে উনার ভিশন নিম্নরুপ:
উন্নত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ শেরপুর সদর: হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলামের ভিশন
১. সবার জন্য দুর্নীতিমুক্ত বৈষম্যহীন সুশাসন ও কার্যকর সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব
- সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও বৈষম্য নির্মূল করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নাগরিকবান্ধব প্রশাসন নিশ্চিত করা।
- জাতীয় সংসদে স্মার্ট, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গঠন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতি/আইন প্রণয়নসহ নাগরিকদের দাবি ও সমস্যার প্রতিনিধিত্ব।
- নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে সকলের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
- ডিজিটাল পদ্ধতি বাস্তবায়ন ও সরকারি সেবাকে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে নাগরিক সেবা সহজীকরণ।
- বাংলাদেশের নানা ঐতিহ্যের শেরপুরকে একটি টেক, ইন্ড্রাস্ট্রি ও বিজনেস ফোকাসড জেলা সদরে রূপান্তরিত করে স্মার্ট, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।
- সার্বক্ষণিক গণসংযোগ কার্যালয় স্থাপন, বার্ষিক ‘পাবলিক রিপোর্ট কার্ড’ প্রকাশ এবং ছয় মাস অন্তর ‘টাউন হল মিটিং’ আয়োজন করা।
২. সবার জন্য নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা
- সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা।
- ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভির আওতায় আনা এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ডিজিটাল মনিটরিংসহ পুলিশ বুথ স্থাপন ও কমিউনিটি প্যাট্রোলিং জোরদার করা।
- নারী-শিশুর নিরাপত্তা, বাক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- অসহায়, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, সিনিয়র সিটিজেন, নারী, শিশু, সংখ্যালঘু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে বা সুলভ স্বাস্থ্যসেবা এবং বিশেষ ভাতাসমূহ ও অগ্রাধিকার সেবা চালু করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা।
- সামাজিক আন্দোলন ও আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে শেরপুরকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করা।
- আশ্রয়হীন ও পথশিশুদের পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেয়া।
৩. সবার জন্য উন্নত অবকাঠামো, সংযোগ ও নাগরিক সুবিধার সবুজ শহর
- ঢাকা ও বড় শহরগুলোর সাথে দ্রুত যোগাযোগের জন্য শেরপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়ককে ফোর লেন এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করা।
- শেরপুরকে জাতীয় রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে নতুন রেললাইন স্থাপন করা।
- প্রায় ৬৮৮ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পর্যায়ক্রমে সংষ্কার ও টেকসই পাকা রাস্তায় রূপান্তর করা। প্রয়োজনে নতুন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ, বাজার সংযোগ রাস্তায় অগ্রাধিকার দেওয়া।
- শহর বাইপাস সড়ক এবং বন্যাপ্রবণ এলাকায় সাবমারসিবল রোড তৈরি করা।
- চর এলাকাগুলোকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে নৌপথ ও সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা।
- শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছানো, সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা।
- স্থানীয় হাটবাজার আধুনিকায়ন, কাভার্ড শেড ও সংরক্ষণ সুবিধা বাড়িয়ে কৃষকদের জন্য সুবিধা নিশ্চিত করা।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ভবনসমূহের সংস্কার ও সম্প্রসারণ।
- ‘মডেল গ্রাম’ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি গ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও স্যানিটেশন সহ মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা।
- শেরপুর পৌরসভাকে পরিকল্পিত ও পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে আধুনিক বর্জ্য ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি, বিশুদ্ধ পানি, সুলভ ইন্টারনেট ও নারী-প্রতিবন্ধীবান্ধব আধুনিক টয়লেট নির্মাণ করা।
- নদী ভাঙন রোধে ব্রহ্মপুত্র ও মৃগী নদীতে স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং নদী শাসনের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণ করা।
- জলাবদ্ধতা ও বন্যার প্রকোপ কমাতে নদী ড্রেজিং, পানি নিষ্কাশন, খাল উদ্ধার ও খনন কার্যক্রম চালানো।
- বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় ব্যবহারের জন্য আধুনিক দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং গৃহহীন পরিবারের দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
- আধুনিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শেরপুর সদরকে জাতীয় অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করা, যাতে স্থানীয় পণ্য ও শ্রমের অবাধ গতিশীলতা নিশ্চিত হয়।
- পার্ক, খেলার মাঠ, কবরস্থান ও নিরাপদ আবাসনসহ নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ।
- প্লাস্টিক বর্জ্য নিষিদ্ধ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, মশক নিধনে কর্মসূচি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৪. সবার জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন
- উন্নত ও নৈতিক শিক্ষা, ১০০% সাক্ষরতা, শিক্ষা ব্যয় হ্রাস এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
- সকল স্কুলকে ডিজিটাল সুবিধা সম্পন্ন স্মার্ট স্কুলে রূপান্তরিত করা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন।
- শেরপুরে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।
- প্রতিটি ইউনিয়নে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা।
- তরুণদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজাইন, স্থাপত্য ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ চালু হবে, যাতে তারা আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী হয়।
- মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা সহায়তায় ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট প্রোগ্রাম’ চালু হবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা।
- খেলাধুলা, প্রযুক্তি, স্থাপত্য ও ইসলামিক স্কলারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিভা বিকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
- ‘ওয়ান-ফর-অল’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজন দক্ষ সদস্য গড়ে তোলা হবে।
- নারীশিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় অগ্রগতি নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা।
৫. সবার জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
- হাইটেক পার্ক, শিল্পাঞ্চল এবং একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে যেখানে পোশাক, ওষুধ, কৃষিভিত্তিক ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন করা।
- দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য স্টার্টআপ ফান্ড, সহজ শর্তে ঋণ, প্রশিক্ষণ ও স্টার্টআপ সহায়তা, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার স্থাপন এবং চাঁদাবাজিমুক্ত স্বাধীন ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
- কৃষকদের জন্য উন্নত বীজ, চারা ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ; বীজ নার্সারি, কৃষি তথ্যকেন্দ্র, কৃষি ক্লিনিক ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
- স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কৃষি মেশিন ও সরঞ্জাম ভাড়া কেন্দ্র, সেচযন্ত্র ও সোলার পাম্প ব্যবহারে প্রণোদনা, কৃষি পরিবহন ভর্তুকি এবং সেচ ব্যবস্থা উন্নত করা।
- সরকারি ক্রয়কেন্দ্র, হিমাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপন এবং মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি কৃষক বাজার ও ডিজিটাল বিপণন প্ল্যাটফর্ম চালু করে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং তুলশীমালা চালসহ স্থানীয় কৃষিপণ্য ব্র্যান্ডিং ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা।
- চরাঞ্চলে ও সদরে কৃষিভিত্তিক বিকল্প কর্মসংস্থান যেমন পরিকল্পিত মাছচাষ, পশুপালন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র শিল্প ও খনিজ ও বালুভিত্তিক কুটির শিল্প ইত্যাদি প্রকল্প গ্রহণ করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর কার্যকর করে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিল্পাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করা।
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কুটির শিল্প ও হস্তশিল্প (কাঁসা, বাঁশসহ ঐতিহ্যবাহী শিল্প) রক্ষায় প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা ও বাজারজাতকরণ সহায়তা প্রদান করা।
- শ্রম আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা নিশ্চিত করা।
- দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার মনিটরিং জোরদার করা।
- প্রতিটি এলাকার অনন্য পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করার জন্য 'এক গ্রাম, এক পণ্য' নীতি অনুসরণ করা।
৬. সবার জন্য সহজ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা
- জেলা হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন, ২৪/৭ জরুরি বিভাগ চালু, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা।
- প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কম খরচে চিকিৎসা এবং বিনামূল্যে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলাসদর ও ইউনিয়নভিত্তিক পর্যাপ্ত নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন ও সংষ্কার করা। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা হবে।
- দুর্গম চর ও গ্রামীণ এলাকার জনগণের জন্য ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ইউনিট চালু করা এবং প্রয়োজনে জেলা বা বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য 'গ্রাম ক্লিনিক টু স্পেশালিস্ট' রেফারেল ব্যবস্থা চালু করা।
- দরিদ্রদের জন্য কম খরচে বা বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড চালু করা।
- মাতৃত্বকালীন সেবা ও শিশুদের পুষ্টি কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা।
- শতভাগ পরিবারে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন এবং আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করা; গভীর নলকূপ ও পানি শোধনাগার স্থাপন করা।
- মশক নিধনে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ ও জনসচেতনতা বাড়ানো হবে।
- শেরপুরে একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
৭. সবার জন্য সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পর্যটন
- শেরপুরের ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ট্যুরিস্ট জোন গড়ে তোলা এবং শেরপুরের দর্শনীয় স্থানগুলো প্রচারের মাধ্যমে নতুন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
- শের আলী গাজী ও শাহ কামাল (রঃ) এর মাজারসহ সব ঐতিহাসিক স্থান সংস্কার করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা ।
- পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো, হোটেল-রেস্ট হাউস, তথ্যকেন্দ্র, যাতায়াত সুবিধা ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী "তুলশীমালা" সুগন্ধি চালকে বিশ্বজুড়ে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে রপ্তানির ব্যবস্থা নেওয়া।
- নিয়মিত বইমেলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন এবং শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র বৃদ্ধি।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমাতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সড়ক ও গ্রামের উন্মুক্ত স্থানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ।